Home » Bangladesh Railway » ঢাকা টু সিলেট ট্রেন

ঢাকা টু সিলেট ট্রেন

ঢাকা টু সিলেট ট্রেন

সিলেট উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রধান শহর। সিলেটকে প্রাকৃতিক সুন্দরের লীলা ভূমি বলা হয়।  প্রতি বছর দেশ বিদেশ থেকে প্রচুর মানুষ সিলেটের পূর্ণ ভূমি ভ্রমন করে। ভ্রমনের কথাই যখন আসলো ।তখন বলে রাখা উচিৎ ঢাকা থেকে সিলেটের বাস সার্ভিস থাকলেও মানুষ ট্রেন বেশি পছন্দ করে। কেননা বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গাতে যানজট লেগেই থাকে। সে দিক থেকে ট্রেন অনেকটা মুক্ত। নিচে ঢাকা থেকে সিলেট গামী ট্রেন গুলোর নাম,যাত্রার সময়,ভাড়া এবং কিভাবে টিকিট পাবেন তার বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

ঢাকা টু সিলেট ট্রেন

ঢাকা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী (আন্তঃনগর)

ঢাকা থেকে সিলেট এর দূরত্ব প্রায় ২৩৫ কি.মি.। ঢাকা থেকে সিলেট রুটে পার্বত এক্সপ্রেস (৭০৯), জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭), উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) ও কালানী এক্সপ্রেস (৭৭৩) নামে মোট ৪টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। নিচে ট্রেনগুলির ঢাকা স্টেশন থেকে ছাড়ার সময় এবং সিলেট স্টেশনে পৌছানোর সময়সূচী দেওয়া হলোঃ

পার্বত এক্সপ্রেস (৭০৯) :

ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দ্যশ্যে যাত্রা শুরু করে ভোর ৬:৩৫ মিনিটে ।আপনি সিলেটে পৌছাতে ৬ ঘন্টা ৩০ মিনিটের মত সময় লাগবে। যদিও ট্রেনের সময় সূচিতে বলা আছে, দুপুর ১:৪৫ মিনিট, নাগাদ পার্বত এক্সপ্রেস সিলেটে পৌছায়। এই রুটের ট্রেনটি মঙ্গলবার বন্ধ থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

পার্বত এক্সপ্রেসে সিলেট থেকে ঢাকা উদ্দ্যেশে যাত্রা শুরু করে দুপুর ৩:০০ মিনিটে। ট্রেন টি সিলেট থেকে ঢাকা পৌছাতে সময় লাগে ৬ ঘন্টা ৪৫ মিনিট। অর্থাৎ আপনি এই ট্রেন টি করে সিলেট থেকে ঢাকা আসতে রাত ৯:৪৫, কিংবা তার একটূ বেশি সময় লাগেবে। এই ট্রেনটি মঙ্গলবার বন্ধ থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

কালানী এক্সপ্রেস (৭৭৩): ঢাকা টু সিলেট ট্রেন

ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দ্যশ্যে যাত্রা শুরু করে দুপুর ৪:০০ মিনিটে ।আপনি সিলেটে পৌছাতে ৬ ঘন্টা ০০ মিনিটের মত সময় লাগবে। যদিও ট্রেনের সময় সূচিতে বলা আছে, রাত ১০:৪৫ মিনিট, নাগাদ কালানী এক্সপ্রেস সিলেটে পৌছায়। এই রুটের ট্রেনটি শুক্রবার বন্ধ থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

কালানী এক্সপ্রেসে সিলেট থেকে ঢাকা উদ্দ্যেশে যাত্রা শুরু করে ভোর  ৭ :০০ মিনিটে। ট্রেন টি সিলেট থেকে ঢাকা পৌছাতে সময় লাগে ৫ ঘন্টা ৩০ মিনিট। অর্থাৎ আপনি এই ট্রেন টি করে সিলেট থেকে ঢাকা আসতে দুপুর ১:২৫, কিংবা তার একটু বেশি সময় লাগেবে। এই ট্রেনটি শুক্রবার বন্ধ থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭):

ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দ্যশ্যে যাত্রা শুরু করে দুপুর ১২:০০ মিনিটে ।আপনি সিলেটে পৌছাতে ৭ ঘন্টা ১০ মিনিটের মত সময় লাগবে। যদিও ট্রেনের সময় সূচিতে বলা আছে, সন্ধ্যা ৭:৫০ মিনিট, নাগাদ জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭) সিলেটে পৌছায়। এই রুটের ট্রেনটি সাপ্তাহের সাত দিনই চলতে থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭) সিলেট থেকে ঢাকা উদ্দ্যেশে যাত্রা শুরু করে সকাল ৮:২০ মিনিটে। ট্রেন টি সিলেট থেকে ঢাকা পৌছাতে সময় লাগে ৮ ঘন্টা ৩০ মিনিট। অর্থাৎ আপনি এই ট্রেন টি করে সিলেট থেকে ঢাকা আসতে দুপুর ৪:০০, কিংবা তার একটূ বেশি সময় লাগেবে। এই ট্রেনটি বৃহস্পতিবার সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দ্যশ্যে ছাড়ে না, এইদিন বন্ধ থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯):

ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দ্যশ্যে যাত্রা শুরু করে রাত ৯:৫০ মিনিটে ।আপনি সিলেটে পৌছাতে ৮ ঘন্টা ০৫ মিনিটের মত সময় লাগবে। যদিও ট্রেনের সময় সূচিতে বলা আছে, ভোর ৫:১০ মিনিট, নাগাদ উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) সিলেটে পৌছায়। এই ট্রেনটি বুধবার সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দ্যশ্যে ছাড়ে না, এইদিন বন্ধ থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) সিলেট থেকে ঢাকা উদ্দ্যেশে যাত্রা শুরু করে রাত ১০:০০ মিনিটে। ট্রেন টি সিলেট থেকে ঢাকা পৌছাতে সময় লাগে ৭ ঘন্টা ১০ মিনিট। অর্থাৎ আপনি এই ট্রেন টি করে সিলেট থেকে ঢাকা আসতে ভোর ৫:১৫, কিংবা তার একটু বেশি বা কম সময় লাগেবে। এই রুটের ট্রেনটি সাপ্তাহের সাত দিনই চলতে থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

ঢাকা থেকে আন্তঃনগর ট্রেন ছাড়াও কয়েকটি মেইল ট্রেন চালু আছে তাদের মধ্যে বর্তমানে সুরমা এক্সপ্রেস (০৯) ট্রেন টি সার্ভিস দিচ্ছে।

ঢাকা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী (মেইল এক্সপ্রেস)

ঢাকা থেকে সিলেট রুটে সুরমা এক্সপ্রেস (০৯) নামে মোট ১টি মেইল এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। নিচে ট্রেনটির ঢাকা স্টেশন থেকে ছাড়ার সময় এবং সিলেট স্টেশনে পৌছানোর সময়সূচী দেওয়া হলোঃ

ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দ্যশ্যে যাত্রা শুরু করে রাত ১১:৫০ মিনিটে ।আপনি সিলেটে পৌছাতে ১১ ঘন্টা ০৫ মিনিটের মত সময় লাগবে। যদিও ট্রেনের সময় সূচিতে বলা আছে, দুপুর ১২:১০ মিনিট, নাগাদ সুরমা এক্সপ্রেস (০৯) সিলেটে পৌছায়। এই ট্রেনটি সাপ্তাহের ৭ দিন চালু থাকে। ভাড়া বিবেচনায় এই ট্রেনের শোভন চেয়ার সিট ৩২০ টাকা এবং প্রথম সিট ৪২৫ টাকা করে বিক্রি হয়।

ঢাকা টু সিলেট ট্রেনের ভাড়া তালিকা

ঢাকা থেকে সিলেটগামী বিভিন্ন আন্তঃনগর ও মেইল এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিটের মূল্য নিচে  আবারো সকালের সুবিধার জন্য দেওয়া হলোঃ

শোভন ২৬৫ টাকা, শোভন চেয়ার ৩২০ টাকা, প্রথম সিট ৪২৫ টাকা, প্রথম বার্থ ৬৪০ টাকা, স্নিগ্ধা ৬১০ টাকা, এসি সিট ৫৫৮ টাকা, এসি বার্থ ১০৯৯ টাকা।

 যেভাবে ঢাকা থেকে সিলেট ট্রেনের টিকিট পাবেন।

এখন নিশ্চয়ই কিভাবে টিকিট পাবেন তা ভাবছেন? চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমরা আপনার জন্য কিভাবে টিকিট পাবেন তার একটা পূর্ণাজ্ঞ গাইড দিয়ে দিচ্ছি।

যাত্রার দিন কয়েক ঘন্টা আগে আপনি কমলাপুর রেল স্টেশনে গিয়ে টিকিট কিনিতে পারবেন। এরজন্য আপনাকে টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। অনেক সময় টিকিট শেষ হয়ে যায়। তাই যাত্রার দুই থেকে এক দিন পূর্বে টিকিট সংগ্রহ করে রাখা ভালো। এছাড়াও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী থেকে আপনি টিকিট পেতে পারেন।কিন্তু তাদের বিশ্বাস না করাই শ্রেয়। এছাড়া ও আপনি চাইলে অনলাইনে ঘরে বসে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন। নিন্মে কিভাবে টিকিট সংগ্রহ করবেন তার পূর্ণাজ্ঞ বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো।

যে ভাবে অনলাইটে ঢাকা টু সিলেট ট্রেন টিকিট কাটবেন-

১। প্রথমে www.railway.gov.bd ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে।

২। ওয়েবসাইটে ঢুকে ‘ডান পার্শ্বের central E-service হতে Railway E-Ticketing service’ এর লিংক এ ক্লিক করতে হবে।

৩। বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং সিএনএস লেখা ও লোগো সম্বলিত একটি নতুন ওয়েব সাইট খুলে যাবে।

৪। লগ ইন প্যানেলে ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোড পূরণ করে মূল পাতায় প্রবেশ করতে হবে। যদি পূর্বে রেজিস্টেশন করা না থাকে তবে রেজিস্টেশন করে নিন।

৫। এরপর যে পেজটি আসবে তাতে ‘Purchase ticket’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৬। এরপর ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, ট্রেনের নাম, শ্রেনী, টিকিট সংখ্যা যেভাবে রয়েছে তা পূরণ করতে হবে। এর পরের পেইজে “Registration Seat Available” দ্বারা চাহিত টিকিট এবং এর মূল্যমান জানিয়ে দেয়া হবে।

৭। ‘Purchase ticket’ বাটন ক্লিক করতে হবে।

৮। ক্রেডিট কার্ড, ক্যাশ কার্ড কিংবা ব্রাক ব্যাংকের একাউন্ট মারফত যাত্রির জমাকজৃত টাকা থেকে টিকিট মূল্য কেটে নেয়া হবে এবং যাত্রীর ই-মেইলে ই-টিকিট টি পাঠিয়ে টিকিট নিশ্চিত করা হয়ে থাকে।

৯। ই-মেইল মেসেজ বক্স থেকে প্রেরিত টিকিট টির প্রিন্ট নিয়ে ফটো আইডিসহ ই-টিকিট প্রদত্ত ‘Ticket Print Information’ প্রদান করে সংশ্লিষ্ট সোর্স ষ্টেশন থেকে যাত্রার সর্বনিম্ন ৩০ মিনিট পূর্বে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করতে হবে।

প্রথম বার অনলাইনে টিকিট কিনতে যেভাবে রেজিস্টেশন করবেন

১। প্রথমে www.railway.gov.bd ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে।

২। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ডান পার্শ্বের ‘আভ্যন্তরীণ ই-সেবা’ থেকে রেলওয়ে ‘ই-টিকিট’-এর লিংকে ক্লিক করতে হবে।

৩। বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং সিএনএস লেখা ও লোগো সম্বলিত একটি নতুন ওয়েব সাইট খুলে যাবে।

৪। ওয়েব সাইটটির উপরে ডান পাশে মেনু বারে “Register” ক্লিক করতে হবে।.

৫। “User Registration” নামের নতুন একটি পেজ আসবে।

৬। এখানে ‘Personal Information’ ও ‘Extra Information’ এর সংশ্লিষ্ট ঘরগুলো যেমন আপনার নাম,ফোন নম্বর ও ইমেইল ইত্যাদি প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিয়ে পূরণ করতে হবে।

৭। এখানে আপনার মোবাইলে একটা ভেরিফিকেশন কোড যাবে।যেটি ওয়েবসাইটে দিয়ে ভেরিফাইয়ে ক্লিক করতে হবে।

৮। এবার আপনাকে ওয়েবসাইটে লগিন করতে হবে। লগইনের পর আপনার থেকে পার্সোনাল ডিটেইলস দিতে হবে। যেমন আপনার নাম, ঠিকানা,পোষ্টাল কোড এবং আইডি কার্ডের নম্বর।

৯। সকল তথ্যাদি সঠিক থাকলে আপনাকে একটা নোটিফিকেশন দেখাবে “Information Successfully Updated”। এভাবেই আপনার রেজিষ্টেশন সম্পূণ হবে।

অনলাইনে ছাড়া ও আপনি চাইলে  এসএসএসের মাধ্যমে টিকিট কিনতে পারবেন। যে গুলো বিভিন্ন মোবাইল প্রোভাইডারা দিয়ে থাকে। নিন্মে কিভাবে মেসেজের মাধ্যমে ঢাকা টু সিলেট ট্রেন টিকিট কাটবেন তার একটা সুন্দর প্রসেস দেওয়া হলো।

এস এম এসের মাধ্যমে ঢাকা টু সিলেট ট্রেন টিকিট ক্রয়

আপনি দুই ভাবে মোবাইল দিয়ে টিকিট কাটতে পারেন। এক বুকিং দিয়ে অন্যটি হচ্ছে সরাসরি বা বুকিং ছাড়া।

বুকিং দিয়ে এস এম এসে টিকিট ক্রয়ঃ

১। আপনার মোবাইল থেকে *131*1# ডায়াল করুন।

২।তার পর ভ্রমণ তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন চাপুন।

৩।তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.Dhaka, 2.sylhet, 3.Khulna etc.) এর বাম পাশের  ডিজিটটি  লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট  type  করে  yes  করুন।

৪।তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্য স্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি  ইংরেজি আক্ষর type করে yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট yes তার পর type ডিজিট তার পর yes।

৫। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি, yes তার পর type ডিজিট yes।

৬।তার পর টিকিট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।

৭।তার পর আপনার টিকিট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।

৮।তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।

৯। ফিরতি এসএমএস এ আপনাকে একটি বুকিং কোড ও প্রয়োজনীয় টাকার পরিমান জানিয়ে দেয়া হবে।

ঢাকা টু সিলেট ট্রেন

টিকিট বুকিং দেয়ার পর যা যা করতে হবে।

১০। বুকিং কোড পাওয়ার ৩০ মিনিট এর মধ্যে আপনাকে এটি কনফাম করতে হবে ।কনফাম না করলে টিকিট বাতিল হয়ে যাবে। কনফাম করতে যা যা করতে হবে । আপনাকে জিপি কাস্টমার কেয়ার এ গিয়ে সঠিক পরিমান টাকা আপনার মোবাইল নম্বরে ‘মোবিক্যাশ’ করতে হবে।

১১। তার পর আপনার মোবাইল থেকে *131*2# type করে yes করুন।

১২। তার পর আপনাকে yes করে বুকিং কোড টি type করে yes করুন।

১৩। তার পর আপনাকে yes করে আপনার পিন নম্বরটি type করে yes করুন।

১৪। তার পর yes করে 0 type করে confirm করুন।

১৫। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকিট সংগ্রহ করবেন। তবে একটি কথা না বললে নয় আপনাকে ট্রেইনে ভ্রমন শুরু করার মিনিমাম এক ঘন্টা আগে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে।

বুকিং ছাড়া এস এম এসে ট্রেনের টিকিট ক্রয়ঃ

সরাসরি বা বুকিং ছাড়া টিকিট কিনতে যা যা লাগবে। তবে এই টার জন্য আপনাকে প্রথমে মোবাইলে সঠিক পরিমান টাকা ‘মোবিক্যাস’ করে নিতে হবে।

১। আপনার মোবাইল থেকে *131*3# টাইপ করে yes করুন।

২। তার পর yes করে পিন নম্বরটি টাইপ করে yes করুন।

৩। তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন ।

৪। তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।

৫। তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট type  তার পর yes।

৬। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি yes তার পর type ডিজিট yes।

৭। তার পর টিকিটclass সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।

৮। তার পর আপনার টিকিট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।

৯। তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।

১০। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকিট সংগ্রহ করবেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*