Home » Result » প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগঃ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর  শূণ্যপদে  দেশের সকল সরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকদের নিয়োগের সার্কুলার ২০২০ খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে । দেখে নিন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ  বিজ্ঞপ্তি ২০২০ এর বিস্তারিত তথ্য  ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, ফেব্রুয়ারী মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরও ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন,  পূর্বের প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ীই ২০২০ সালের প্রাইমারি সহকারি শিক্ষক নিয়োগ করা হবে । প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে যে নতুন নীতিমালার কথা রয়েছে তা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ তে প্রযোজ্য হবে কিনা তা এখনো জানা যায়নি ।

করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে, আগামী সেপ্টেম্বরে আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে ২৬ হাজার প্রাক-প্রাথমিক ১৪ হাজার প্রাথমিক মোট ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে ।

  • সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করা হয়েছে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা অনার্স অথবা সমমানের ডিগ্রি হতে হবে।
  • বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। তবে নারী প্রার্থীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা বহাল থাকবে।
  • ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা ও বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিষয়ে পাস করা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
  • যদি ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হয়, তবে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।
  • নিয়োগ প্রার্থীর বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ২১-৩০ বছর প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির মাধ্যমে ৬৫ শতাংশ আর পিএসসির মাধ্যমে সরাসরি ৩৫ শতাংশ নিয়োগ দেওয়া হবে।
প্রাইমারি নিয়োগ 2020 টাইমলাইন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ :
আবেদন শুরুর তারিখ :
আবেদনের শেষ তারিখ :
পরিক্ষা পদ্ধতি : লিখিত (এমসিকিউ)
আবেদন ফি : সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬.৫০ টাকা
আবেদন লিংক : dpe.teletalk.com.bd
  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা–  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ) পদ্ধতিতে গ্রহন করা হবে।
  • আবেদনের বয়সসীমা :আগস্ট ৩০, ২০২০ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বৎসরের মধ্যে হতে হবে। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযােদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বৎসর হবে। বয়স নিরূপণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযােগ্য নয়।

সহকারি শিক্ষক পদে আবেদন  প্রক্রিয়া  ২০২০

প্রাথমিক  শিক্ষক  নিয়োগ  ২০২০ কিছু দিনের মধ্যেই প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে । প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়াটি নিচে দেওয়া হল-

আপনি আপনার ওয়েব ব্রাইজারে গিয়ে টাইপ করুন – dpe.teletalk.com.bd  সার্চ করার পর আপনি নিচের মত একটি পেইজ দেখতে পাবেন ।

আবেদন করার জন্য Application Form  এ ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর আবেদন ফর্ম প্রদর্শিত হবে সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য দিন । অবশ্যই খেলায় রাখবেন যেন ভুল না হয় । কারণ ভুল হবে পরবর্তীতে সংশোধন করার কোন ব্যবস্থা নেই ।

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের ফি প্রদান

সঠিক ভাবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ফর্ম পূরনের পর আপনকে একটি User ID ও Password করা হবে । যা ব্যবহার করে টেলিটক সিমের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে হবে ।

সহকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রবেশ পত্র ডাউনলোড

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ এর প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে  dpe.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে আপনার User ID ও Password ব্যবহার করে লগইন করতে হবে লগ ইন করার পর Download Admit Card আপশন থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ।

প্রাথমিক সহকারি  শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ রেজাল্ট

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে । ডিপিই এর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি আমাদের ওয়েবসাইট থেকেও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ দেখতে পারবেন ।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালায় যোগ্যতা, বয়স, পদোন্নতিসহ পাঁচটি ক্ষেত্রে আনা হচ্ছে পরিবর্তন। ইতোমধ্যে সংশোধিত বিধিমালার খসড়া প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সংশোধিত বিধিমালায় পাঁচটি পরিবর্তন আসছে।

সূত্র জানায়, নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে শিক্ষক নিয়োগ আগের মতোই উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত সহকারি শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে সহকারি শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া যাবে না। এমন ব্যক্তিকে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন, এমন ব্যক্তিকেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে না।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসছে নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতায়। নতুন নিয়মের অধীনে প্রাথমিকে শিক্ষক পদে আবেদনে নারীদেরও কমপক্ষে স্নাতক পাস হতে হবে। উল্লেখ্য বর্তমান নিয়মে এইচএসসি পাসেই শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারেন নারীরা।

সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এত দিন স্নাতক পাস হলেই আবেদন করা যেত। নতুন বিধিমালার খসড়ায় এই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর প্রস্তাব করা হয়েছে। এত দিন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ছিল ২৫-৩৫ বছর। কিন্তু এখন এই পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) নীতিমালার সঙ্গে সংগতি রেখে বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ২১-৩০ বছর।

তথ্যমতে, আগে সহকারি শিক্ষকদের মধ্য থেকে ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়ার বিধান ছিলো। সেটি পরিবর্তন করে সরাসরি পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ, বাকি ২০ শতাংশ পদোন্নতি পিএসসি’র মাধ্যমে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বর্তমানে যেকোনো বিষয়ে পাস করা প্রার্থীর সমান সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এতে মানবিক বিভাগ থেকে আসা শিক্ষকরা গণিত ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো সহজে আত্মস্থ করতে পারেন না। এ কারণে নতুন বিধিমালায় সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্য থেকে নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া ক্লাস্টার বা উপজেলাভিত্তিক আর্ট ও সংগীত শিক্ষক রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালার খসড়ায় আরো বলা হয়েছে, ১৩তম থেকে ১৬তম বেতন গ্রেডের কোনো পদে থাকা শিক্ষককে দশম থেকে দ্বাদশ বেতন গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ করা যাবে। আর দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেডে থাকা শিক্ষক নবম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ পেতে পারেন। তবে, উভয় ক্ষেত্রেই পিএসসির সুপারিশ প্রয়োজন হবে। ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালায় এসব শর্ত নেই। বর্তমানে কোনো ব্যক্তির শিক্ষক পদে যোগদান করার তিন বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ বা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও নতুন বিধিতে তা থাকছে না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস আহমেদ দাবি করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ দিতেই বিধিমালা সংশোধন আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এটি সচিব কমিটিতে তোলা হবে। সেখানে অনুমোদন দেয়া হলে মন্ত্রিপরিষদের সভায় পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন দেয়ার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিধিমালা সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য সদ্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি পুরনো বিধিমালার আওতাভুক্ত।

সারাদেশে ২৬ হাজার প্রাক-প্রাথমিক ও ১৪ হাজার সহকারি (মোট ৪০ হাজার) শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আগামী আগস্ট মাসে এ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

এবার নারী-পুরুষ উভয় আবেদনকারীর ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়, যা আগে পুরুষের ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রি এবং নারীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি বা সমমান পাস ছিল। পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে এ বিষয়টি পরিবর্তন হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ফসিউল্লাহ।

মহাপরিচালক বলেন, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ নিয়ে কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আগামী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তা সম্ভব না হলে স্বাভাবিক পরিস্থিতির জন্য অপেক্ষা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। যেহেতু বিপুলসংখ্যক প্রার্থী নিয়োগের জন্য আবেদন করেন, সে কারণে সার্বিক সবকিছু বিবেচনা করে প্রার্থীরা যাতে ঝুঁকির মুখে না পড়েন, সেসব কিছু বিবেচনা করে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা আগের চেয়ে বাড়ানো হচ্ছে। এইচএসসি পাস থেকে বাড়িয়ে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি নির্ধারণ হতে যাচ্ছে।’

‘নতুন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিকে স্তর অনুমোদন হওয়ায় প্রথম ধাপে ২৬ হাজার বিদ্যালয়ে একজন করে এ স্তরে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এছাড়া সারাদেশে শূন্য হওয়া বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। দুই ধাপে একই সঙ্গে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে’, যোগ করেন মহাপরিচালক মোহাম্মদ ফসিউল্লাহ।

জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিকের সময়সীমা দুই বছর ও ভর্তির ক্ষেত্রে চার বছর বয়সসীমা করে গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক স্তর পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদি শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। এ স্তরে অর্জিত সাফল্য ও অভিজ্ঞতা অর্জনে চার বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য দুই বছর মেয়াদি করতে একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এ স্তরে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘প্রাক-প্রাথমিকের ভর্তিতে শিশুদের বয়স চার ও মেয়াদকাল দুই বছর করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে এ স্তরে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। একই সঙ্গে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য। এসব বিদ্যালয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সব মিলিয়ে একত্রে ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

প্রাক-প্রাথমিক স্তরে নতুন ২৬ হাজার শিক্ষকের পদ সৃজন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। ক্যাবিনেট সভায় এটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বড় আকারের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সারাদেশে ২৬ হাজার প্রাক-প্রাথমিক ও ১৪ হাজার সহকারী মিলে মোট ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেই আগামী সেপ্টেম্বরে এ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন। রোববার (৫ জুলাই) রাতে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘প্রাক-প্রাথমিকে ভর্তিতে শিশুদের বয়স ৪ ও মেয়াদকাল ২ বছর করা হয়েছে। বর্তমানে সারাদেশে এ স্তরে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। একই সঙ্গে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য। এসব বিদ্যালয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সব মিলিয়ে একত্রে ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

সচিব বলেন, ‘প্রাক-প্রাথমিক স্তরে নতুন ২৬ হাজার শিক্ষকের পদ সৃজন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাব সচিব কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। কেবিনেট সভায় এটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যেহেতু প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকের পদ সৃজন করা হয়েছে, তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ স্তরের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তার সঙ্গে দেশের সব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদগুলো পূরণ করা হবে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আগামী সেপ্টেম্বরে এ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সম্প্রতি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার সময়সীমা এক বছরের পরিবর্তে দুই বছর করা হয়। এ স্তরে ভর্তির জন্য বসয়সীমা পাঁচ বছরের পরিবর্তে চার বছর অনুমোদন করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিকের সময়সীমা দুই বছর ও ভর্তির ক্ষেত্রে চার বছর বয়সসীমা করে গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক স্তর পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এ স্তরে অর্জিত সাফল্য ও অভিজ্ঞতা অর্জনে চার বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য দুই বছর মেয়াদি করতে একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়। এর প্রেক্ষিতে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এ স্তরে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকসহ বিভিন্ন স্তরে এক লাখেরও বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর গুলশানে স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা : বাস্তবায়ন-অভিজ্ঞতা এবং সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।

সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, বর্তমানে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এক বছর মেয়াদি (পাঁচ থেকে ছয় বছর) প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়েছে। শিশুর যথাযথ বিকাশের জন্য কমপক্ষে দুই বছর মেয়াদি (চার থেকে ছয় বছর) প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করতে হবে। এ জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোর সহযোগিতাও দরকার।

সচিব বলেন, আগামী বছর (২০২১) থেকেই দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এ জন্য আগামী পাঁচ বছরে এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মো. আকরাম-আল হোসেন আরও বলেন, বিগত ১০ বছরে এক লাখ ৮০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ফলে এখন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের অনুপাত হয়েছে ১:৩৬।

আগামী পাঁচ বছরে আরও এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের অনুপাত ১:৩০-এ নেমে আসতে পারে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*